বৃত্ত সম্পর্কিত সূত্র ও কৌশল (Cheat Sheet)
বৃত্ত সম্পর্কিত সূত্র ও কৌশল (Cheat Sheet)
১. বৃত্তের মৌলিক বিষয়
ব্যাসার্ধ
ব্যাস
পরিধি
ক্ষেত্রফল

২. জ্যা (Chord)
জ্যা = বৃত্তের দুই বিন্দুকে যোগ করা সরলরেখা।
দৈর্ঘ্য নির্ণয় সূত্র (যদি ব্যাসার্ধ
👉 মনে রেখোঃ সবচেয়ে বড় জ্যা
৩. বৃত্তচাপ (Arc)
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য (Arc length,
রেডিয়ানে হলেঃ
ডিগ্রীতে হলেঃ

৪. খন্ডবৃত্ত বা বৃত্তকলা (Sector)
ক্ষেত্রফল (Sector area):
রেডিয়ানে হলে,
ডিগ্রীতে হলে,
:::info
👉 মনে রাখার উপায়:
আর্ক বা চাপ = পরিধির অংশ
সেক্টর বা বৃত্তকলা = ক্ষেত্রফলের অংশ
:::
৫. খন্ডচাপ (Segment)

সেক্টর বা বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল থেকে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বাদ দিলে পাওয়া যায়।
যেখানে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফলঃ
৬. স্পর্শক (Tangent)
- কেন্দ্র থেকে স্পর্শকের উপর লম্ব = ব্যাসার্ধ
- যদি দুইটি স্পর্শক একটি বিন্দু থেকে আঁকা হয় → দুইটির দৈর্ঘ্য সমান।
৭. জ্যা সম্পর্কিত বিশেষ নিয়ম

- একই চাপের ওপর দাঁড়ানো সব কোণ সমান
- ব্যাসে দাঁড়ানো কোণ = (90°)
- কেন্দ্রীয় কোণ সর্বদা পরিধিস্থ (বৃত্তস্থ) কোণের দ্বিগুণ।
৮. দুই জ্যার ছেদবিন্দু সূত্র (Chord-Chord Theorem)
যদি দুইটি জ্যা

৯. বৃত্তে কোণ
)
- পরিধিস্থ বা বৃত্তস্থ কোণ = কেন্দ্রীয় কোণের অর্ধেক
- অর্ধবৃত্তে কোণ = সমকোণ
)